আজাদী সম্পাদকসহ ট্যাক্স কার্ড নিলেন চট্টগ্রামের ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান

Income Tax Department

আজ বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিক ক্যাটাগরিতে দৈনিক আজাদী সম্পাদক এমএ মালেকসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামের ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ট্যাক্স কার্ড দিয়েছে আয়কর বিভাগ।

তারা হলেন- সিনিয়র সিটিজেন ক্যাটাগরিতে আলী হোসেন আকবর আলী, প্রতিবন্ধী ক্যাটাগরিতে সুকর্ণ ঘোষ, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ কামাল, জ্বালানি ক্যাটাগরিতে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ও পদ্মা অয়েল কোম্পানি, তৈরি পোশাক খাতে সিইপিজেডের ইয়াং ওয়ান লিমিটেড, ইউনিভার্সেল জিন্স লিমিটেড, ফার্ম ক্যাটাগরিতে মেসার্স এসএন করপোরেশন ও মেসার্স সাহারা এন্টারপ্রাইজ।

আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিকের পেলিকান মেহজাবিনের (পিএইচপি ভবন) ট্যাক্সেস ক্লাবে ট্যাক্স কার্ড ও করদাতাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এমএ মালেক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। আমরা সেই স্বপ্ন পূরণের সারথি। কর্ণফুলী টানেল হচ্ছে। এটি আমাদের গর্ব। করদাতাকে প্রতি বছর কর বাড়াতে হবে- এ ভীতি থেকে বের করে আনতে হবে। নতুন নতুন করদাতাকে উৎসাহিত করতে হবে।

তরুণ (৪০ বছরের নিচে) ও সর্বোচ্চ করদাতা ক্যাটাগরিতে চট্টগ্রামের মির্জা সালমান ইস্পাহানী, আলী হোসাইন আকবর আলী, ড. সাফায়াত হোসেন খান, আবু মোহাম্মদ, সৈয়দ মো. ফজলুল করিম, মোছাম্মৎ ফারহানা, নবী হোসেন চৌধুরী, আলী হোসাইন, ইঞ্জিনিয়ার মো. মহসিন, মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, রবিউল হাসান খোকন, মিস জান্নাতুল মাওয়া, কক্সবাজারের কাজল পাল, হায়দার আলী, মো. আবু কাউসার, মো. আলমগীর, মো. সেলিম, জিয়াউদ্দিন হায়দার, মিস সানজিন, বান্দরবানের শামসুদ্দিন সওদাগর, মো. নুরুল আবসার, মো. আলী, মিস মেহেলা প্রু, রাঙামাটির মো. বদিউল আলম, মো. বাদশা মিয়া, লোকমান হোসেন তালুকদার, মো. রফিকুল আলম লিটন, মো. ফরিদুর রহমান, মো. সাখাওয়াত হোসেন, মিস চিত্রা চাকমা, খাগড়াছড়ির বিজয় কান্তি বড়ুয়া, সজল দে, কাজী মো. নূর আলম, স্বপন চন্দ্র দেবনাথ, নূর মোহাম্মদ, মিস ঝুলনা সাহার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিরা।

কর কমিশনার সৈয়দ মোহাম্মদ আবু দাউদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আপিল কমিশনার হেলাল উদ্দিন সিকদার।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কর কমিশনার জিএম আবুল কালাম কায়কোবাদ, ড. মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, মো. রিয়াজুল ইসলাম, কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি এনায়েত হোসেন প্রমুখ।

কাস্টমস ও ভ্যাট আপিল কমিশনার ড. গোলাম মো. মুনির বলেন, করোনা সঞ্চয় প্রবণতা বাড়িয়ে দিয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে। বিনিয়োগ বাড়লে আয় বাড়বে, ভোগ বাড়বে। তাহলে কর আদায় বাড়বে। আমাদের প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পে তরুণদের কাজে লাগাতে হবে। অনেক কারখানায় রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার সফিনা জাহান, মাহবুবুর রহমান, সামিনা ইসলাম, হেমেল দেওয়ান প্রমুখ।