৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ ভাইরাস প্রতিরোধে ‘তুরাগ প্রোটেক্স’ মাস্ক

Turag Protex

প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ ঠেকানোসহ আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে মাস্ক ব্যবহার করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডাব্লিউএইচও) এবং সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) সাধারণ জনগণের জন্য কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক এবং না পরলে শাস্তির বিধানও রয়েছে। তাই দেশের জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং সাধ্যের মধ্যে বিশ্বমানের সুরক্ষা পণ্য হাতের নাগালে আনতে ঊর্মি গ্রুপ বাজারে নিয়ে এসেছে সুইস প্রযুক্তি (হাইকিউ ভাইরোব্লক) প্রয়োগ করা তিনস্তর বিশিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ফেস মাস্ক ‘তুরাগ প্রোটেক্স’।

তুরাগ প্রোটেক্স মাস্কটি ভাইরাস ধ্বংস করতে ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ কার্যকর, যা আন্তর্জাতিক মান সংস্থার (আইএসও ১৮১৮৪:২০১৯) নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষিত ও প্রমাণিত। রিওয়াশেবল ফেব্রিক দিয়ে তৈরি মাস্কটি ধুয়ে ২৫ বার পর্যন্ত ব্যবহার করা সম্ভব। এটি খুবই নরম এবং দীর্ঘসময় ব্যবহারেও আরামদায়ক।

নারী ও পুরুষের ব্যবহারের জন্য তুরাগ প্রোটেক্স অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল মাস্ক বিভিন্ন রঙে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। খুব শিগগিরই বাচ্চাদের জন্যও এ মাস্ক পাওয়া যাবে। অ্যান্টিভাইরাল মাস্কটি কাপড়ের তিনটি স্তর দিয়ে তৈরি, যার ভেতরের স্তরটি শোষণক্ষমতা সম্পন্ন। মাঝের স্তরটি হাইকিউ ভাইরোব্লক এনপিজেওথ্রী প্রয়োগ করা, যা ভাইরাস ধ্বংস করতে সক্ষম। মাঝের স্তরে ব্যবহৃত উপাদানগুলো কয়েক মিনিটের মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ ভাইরাস নিস্ক্রিয় করতে সক্ষম। যা আইএসও ১৮১৮৪:২০১৯ পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত।

সর্বশেষ বাইরের স্তরটি পানিরোধক বিশেষ কাপড় দ্বারা তৈরি, যা হাঁচি-কাশি থেকে নির্গত ক্ষুদ্র জলকণা থেকে সুরক্ষায় সক্ষম। মাস্কটি দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারেও শ্বাস-প্রশ্বাসে কোনো সমস্যা হয় না। এছাড়া মাস্কে নাকের ওপর একটা নোস ব্রিজ থাকায় এবং কানে সামঞ্জস্য যোগ্য স্ট্রিং থাকায় মাস্কটি পড়ার পর মুখের সঙ্গে এমনভাবে লেগে থাকে, বাইরের কোনো জীবাণু বা ধুলাবালি প্রবেশ করতে পারে না।

এ বিষয়ে ঊর্মি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ আশরাফ জানান, ‘এ কঠিন সময়ে বিদেশিদের সুরক্ষার জন্য পণ্য সরবরাহ করার পাশাপাশি দেশের মানুষের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে আমরা সাশ্রয়ী মূল্যে অ্যান্টিভাইরাল ফেস মাস্ক উৎপাদন করেছি। সম্প্রতি বাংলাদেশ ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) প্রণীত হাই পারফরম্যান্স মাস্ক এর নীতিমালা অনুযায়ী প্রস্তুত করা বাংলাদেশের প্রথম হাই পারফরম্যান্স (অধিক কার্যক্ষমতা সম্পন্ন) মাস্ক হিসেবে আমরা বাজারে নিয়ে এসেছি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ফেস মাস্ক ‘তুরাগ প্রোটেক্স। ’