এক দিনেই জেফ বেজোসের সম্পদ বাড়ল ১৩০০ কোটি ডলার

Jeff Bezos

এই মহামারী করোনার মধ্যেই এক দিনেই আমাজনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেফ বেজোসের সম্পদ বাড়ল ১ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স সূচক অনুযায়ী বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তি হিসেবে বেজোসের সম্পদের মূল্যমান দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৯৩০ কোটি মার্কিন ডলার। আমাজনের শেয়ার দাম ৮ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় এক দিনেই বেজোসের মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়ে যায়।

ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স সূচক ২০১২ সালে চালু হওয়ার পর থেকে এক দিনে কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ সম্পদ বাড়ার ঘটনা এটি। টানা এক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন বেজোস। করোনা পরিস্থিতি সত্ত্বেও আমাজন ও বেজোসের অবস্থা আরও মজবুত হয়েছে। তাঁর সম্পদের হিসাব ধরলে এ বছরের শুরু থেকেই মোট মোট সম্পদ ৭ হাজার ৪০০ কোটি ডলার বেড়েছে।

বেজোস ও আমাজন সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির সম্মুখসারির কর্মীদের জন্য কোভিড-১৯ পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরির কাজ শুরু করেছে। এপ্রিলে প্রকাশিত আমাজনের এক ব্লগ পোস্টে বলা হয়, তারা কী লক্ষ্যে এগোতে চায়, তা পরীক্ষার করে জানানো হয়েছে। তাঁদের গবেষক, কর্মসূচি ব্যবস্থাপক, বাস্তবায়ন বিশেষজ্ঞ ও সফটওয়্যার প্রকৌশলীরা দৈনন্দিন কাজ ছেড়ে এ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।

বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছেন বিল গেটস। তাঁর সম্পদের মূল্যমান দাঁড়িয়েছ ১১ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার।

প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ধনীদের মধ্যে তালিকায় নবম স্থানে রয়েছে টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৭ হাজার ৪৬০ কোটি মার্কিন ডলার। এ বছরের শুরুতে তাঁর সম্পদের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার। তিনি শীর্ষ ১০ ধনীর ধারেকাছেও ছিলেন না। এর মধ্যেই তাঁর সম্পদ বেড়েছে ৪ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার। তালিকায় চতুর্থ স্থানে আছেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। শীর্ষ ১০ ধনীর মধ্যে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কাজ করা স্টিভ বলমার, ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিনের নামও তালিকায় রয়েছে।

দেখে নিন বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনীর তালিকা
১. জেফ বেজোস (আমাজন) ২. বিল গেটস (মাইক্রোসফট) ৩. বার্নার্ড আরনল্ট (কনজুমার) ৪. মার্ক জাকারবার্গ (ফেসবুক) ৫. স্টিভ বলমার (বলমার গ্রুপ) ৬. মুকেশ আম্বানি (এনার্জি) ৭. ল্যারি পেজ (গুগল) ৮. ওয়ারেন বাফেট (বার্কশায়াল হ্যাথওয়ে) ৯. ইলন মাস্ক (টেসলা) ১০. সের্গেই ব্রিন (গুগল)