সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে এক মঞ্চে সব প্রার্থীর উপস্থিতিতে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ ও আচরণবিধি প্রতিপালনের ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বানকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি জানান, অনুষ্ঠান চলাকালে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী হিলটন প্রামাণিক গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তার এই বক্তব্যের পর মঞ্চের সামনে ও আশপাশে জড়ো হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সাময়িক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
তবে কিছু সময় উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করলেও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পরে নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ঘটনার পর নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী হিলটন প্রামাণিক নিজের নিরাপত্তাহীনতার কথা জানান। তিনি বলেন, গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান তো আমার কথা নয়। এটি আমাদের নেতা জিএম কাদেরের কথা। আজ এখানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা উদ্বেগজনক। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে এ দেশে সুষ্ঠু ভোট হবে না।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খানের ব্যক্তিগত সহকারী মো. বুলবুল বলেন, ‘জাতীয় পার্টির হিল্টন প্রামাণিক ছিলেন সর্বশেষ বক্তা। তিনি সরাসরি গণভোটে “না” ভোট দিতে বলেছেন। এটি উপস্থিত দর্শকরা মেনে নিতে পারেননি। তারা আপত্তি জানিয়েছেন, এটি কেন বলা হলো। আবার কিছু মানুষ বলেছেন, তিনি তার মতামত দিয়েছেন। এখানে অন্যদের সমস্যা কী। এজন্যই বিশৃঙ্খ পরিবেশ তৈরি হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এটিএম আরিফকে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।







