ঢাকা-১৭ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে কড়াইল বস্তিতে ভোট চাইলেন আইনজীবীরা। বস্তির মানুষের ঘরে-ঘরে গিয়ে ভোট চান ঢাকা-১৭ আসনের আইন উপকমিটি ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের আইনি সহায়তা টিমের সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে তারা ধানের শীষের জন্য ভোট চান এবং তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি পৌঁছে দেন।
ঢাকা-১৭ আসনের বিএনপির আইন উপকমিটি ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের লিগ্যাল টিমের সদস্যরা যৌথভাবে এই কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
এতে উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ঢাকা-১৭ আসনের আইনি সহায়তা টিমের আহ্বায়ক আশরাফ জালাল খান মনন, সদস্যসচিব ব্যারিস্টার সৈয়দ ইজাজ কবির, সদস্য ব্যারিস্টার এম সাকিবুজ্জামান, ইকতান্দার হোসাইন হাওলাদার, অ্যাডভোকেট নিলুফার ইয়াসমিন টুম্পা, শাহ নাসির উদ্দিন, ফয়সাল মাহমুদ প্রমুখ।
আশরাফ জালাল খান মনন বলেন, গত ১৭ বছর মানুষ ভোটকেন্দ্রে যায়নি। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পরের নির্বাচনগুলো ছিল পাতানো। এই কড়াইলবাসীর যে সমস্যা তা আজকে নয়, স্বাধীনতার পর থেকেই এই সমস্যা। তাদের সমস্যাগুলো শোনার জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাদের ও বিএনপির অন্য অঙ্গসংগঠনগুলোকে বলেছেন। আমরা যখন ১৯৯১-১৯৯৬ এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপির পক্ষ থেকে কিছু সমস্যা সমাধান করা হয়েছিল। কিন্তু গত ১৭ বছর আর কোনো সমস্যা সমাধান হয়নি। এ জন্য আমরা কাজ করছি। এজন্য আমরা আমাদের মতাদর্শের আইনজীবীদের অনুরোধ করেছি তারা যেন এই বস্তির মানুষের ঘরে-ঘরে গিয়ে খোঁজ নেন। তাদের নিয়ে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান। আজ আমরা শুরু করেছি। যা চলবে আগামী ১০ তারিখ পর্যন্ত। বিএনপি ক্ষমতায় এলে বস্তিবাসীর সমস্যা সমাধানে প্রতিবেদন তৈরি করে আমাদের চেয়ারম্যান বরাবর পৌঁছে দেব।
ব্যারিস্টার এম সাকিবুজ্জামান বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই এলাকায় এসে জনসভা করেছেন। তিনি বস্তিবাসীর সমস্যা সমাধানে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছেন। এখানে মানুষের প্রবেশে সমস্যা, ইউটিলিটির সমস্যা। নিরাপত্তার সমস্যা। আর দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার মধ্যে রয়েছে আবাসন সমস্যা। সবচেয়ে বড় সমস্যা এই আবাস; এই সমস্যার সমাধান তারেক রহমান জানিয়ে দিয়ে গেছেন। এসব বার্তা আমরা সরাসরি ব্যক্তিগত ভাবে পৌঁছে দিতে আসছি। এখানে আমরা সবাই আইনজীবী। সবাই এসেছেন তারেক রহমানের বার্তা ঘরে-ঘরে পৌঁছে দিতে। একই সঙ্গে আরো যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলো জানতে।







