যে ৭ অ্যাপের মাধ্যমে গোপনে কথা বলা যায়

apps

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জনপ্রিয় অ্যাপ গুলোর মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক অনেক জনপ্রিয়। কিন্তু একবারো কি ভেবেছেন এই অ্যাপগুলি আপনার গোপনীয়তার জন্য কতটা সুরক্ষিত?

ওয়্যার সিকিওর মেসেজিং: নিজের ফোন নম্বর শেয়ার না করেই এই অ্যাপ ব্যবহার করে চ্যাট করা যাবে। এখানে ক্লিক করে নিজের ইমেল আইডি ব্যবহার করে লগইন করুন। এবার ফোন অ্যাপ ইন্সটল করে আইডি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করুন। এবার ফোন নম্বর ছাড়াই চ্যাট শুরু করতে পারবেন।

টেলিগ্রাম: গ্রাহকদের গোপনে চ্যাট করতে সাহায্য করে টেলিগ্রাম। প্রোফাইল আইডি সেট করে ফোন নম্বর হাইড করতে পারবেন। সঙ্গে কোন প্রোফাইল পিকচার রাখবেন না। যদিও অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে একটি ফোন নম্বর বাধ্যতামূলক।

ডিসকর্ড: নিজের ব্যক্তিগত তথ্য না দিয়েই ডিসকর্ড ব্যবহার করে চ্যাট করা যায়। শুধু নিজের আইডি সিলেক্ট করে একটি প্রোফাইল তৈরি করলেই চ্যাট করা যাবে।

প্রোটনমেল: কোনো ব্যক্তিকে নিজের পরিচয় গোপন রেখে ইমেল করতে চান? এই জন্য ব্যবহার করুন প্রোটনমেল। এই ইমেল সার্ভিস সম্পূর্ণ এনক্রিপটেড থাকে। চাইলে আপনি ভিপিএন ব্যবহার করতে পারেন।

গুগল মিট: হঠাৎ করে ডেটিং অ্যাপে কারও সঙ্গে আলাপের পরেই ভিডিও চ্যাট করতে চাইলে গুগল মিট ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য একটি পৃথক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন।

স্কাইপ: গুগল মিটের পরেই ভিডিও কলে যে নাম মাথায় আসে সেটা স্কাইপ। এখানেও আপনি চাইলে ভিডিও কল করতে পারবেন।

ইন্সটাগ্রাম: পৃথক ইমেল ব্যবহার করে দ্বিতীয় ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করুন। সেখানে কোন ছবি আপলোড না করে নিজের পরিচয় গোপন রেখে চ্যাট করুন।