ভোট দিতে না পেরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরছেন তাসলিমা ইসলাম। ভোটার তালিকা অনুযায়ী তিনি রাজধানীর রূপনগর আবাসিক স্কুল এন্ড কলেজের ভোটার। তার সিরিয়াল নং ৩১৭৩। কেন্দ্রটিতে যাওয়ার পর তাকে জানানো হয়, তিনি ওই কেন্দ্রের ভোটার নন।
তাকে পার্শ্ববর্তী মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে যেতে বলা হয়।
কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে এসে তাসলিমা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমি মনিপুর স্কুলের কেন্দ্রে যাওয়ার পর জানালো এই সিরিয়ালের ভোট দেওয়া হয়ে গেছে। ওই সিরিয়ালে যিনি ভোট দিয়েছেন তার নাম হাসিনা বলে জানান তাসলিমা। ঘটনার সময় কেন্দ্রটিতে অবস্থান করছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান।
কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ভোট শান্তিপূর্ণ হচ্ছে বলে জানালেন ঢাকা ১৪ আসনের ১১ দলীয় এই জোটের প্রার্থী।
বিচ্ছিন্ন ঘটনার ব্যখ্যা জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি বলেন, কোনো কেন্দ্রে ভোট শুরু করতে দেরী হয়েছে। কোথাও স্লিপ নিয়েও ভোট দিতে জটিলতা হচ্ছে। তবে সব মিলিয়ে পরিবেশ শান্তিপূর্ণ বলে জানান তিনি।
মিরপুর ১৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলী। তাকেও কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরতে দেখা গেছে।
মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জানান, তার কেন্দ্রে ৫টি বুথে নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট ২ হাজার ৭৭১ ভোট। এরমধ্যে সকাল ১০টা পর্যন্ত ভোট কাস্ট হয়েছে ৪শ’র মত, যা ওই কেন্দ্রের মোট ভোটের প্রায় ১৪ শতাংশ। প্রিজাইডিং অফিসার জানান, এই ১২ জন প্রার্থী থাকলেও ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, হাতপাখা, ও ফুটবল ছাড়া আর কোন প্রার্থীর এজেন্ট আসননি।
বুথগুলো ঘুরে অবশ্য ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার এজেন্টদের দেখা গেছে। ধানের শীষের এজেন্ট কাজল আক্তার জানান, অন্য প্রার্থীদের এজেন্টও ছিল, তারা নাস্তা খেতে গেছেন।







