মেন্ডিসরা নিষিদ্ধ হতে পারেন এক বছরের জন্য

গত জুন মাসে ইংল্যান্ড সফরে জৈব সুরক্ষা বলয় ভাঙায় দল থেকে বহিস্কৃত হয়েছিলেন শ্রীলঙ্কান সহ-অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস, দানুশকা গুনাথিলাকা ও নিরোশান ডিকভেলা। তখন তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিলো সিরিজের মাঝপথেই। গুঞ্জন উঠেছিলো, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি) তাদের এক বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

ইতোমধ্যে এই তিন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও চার্জশিট জারি করেছে এসএলসি। সেটির শুনানিতে অংশ নিতে আগামী বৃহস্পতিবার বোর্ডের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন মেন্ডিস, গুনাথিলাকা ও ডিকভেলা।

লঙ্কান গণমাধ্যমগুলো এসএলসির এক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, “মঙ্গলবার সকালে কলম্বো থেকে টেলিফোনে সূত্রটি জানিয়েছে, ওই তিন ক্রিকেটারের আইনজীবী বা প্রতিনিধিদের আনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তারা শুনানিতে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না।”

বিচারক প্যানেলের সদস্যরা হলেন- বিচারপতি নিমাল ডিসানায়াকা (শ্রীলঙ্কার সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক), পান্ডুকা কেরথিনান্দ, (অ্যাটর্নি-অ্যাট-ল), এসেলা রেকাওয়া (অ্যাটর্নি-এ-ল), উচিথা বিক্রমাসিংহে (অ্যাটর্নি-আইন-আইন) এবং মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) এমআরডাব্লু ডি জোয়েসা।

প্রসঙ্গত, তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলতে কুশল পেরেরার নেতৃত্বে গত জুন মাসে ইংল্যান্ড সফরে ছিলো শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল। সিরিজের মাঝপথে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, কুশল মেন্ডিস ও নিরোশান ডিকওয়েলা ডারহামের বাজারে ঘুরাঘুরি করছেন এবং ধূমপানের পায়তারা করছেন। হোটেলের কড়াকড়ি ও বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে কীভাবে তারা বাইরে এলেন এই প্রশ্নে ভিডিওটি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে।

দানুশকা গুনাথিলাকাকে সেই ভিডিওতে দেখা না গেলেও তিনিও ঐ দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে ছিলেন বলেই জানা যায়। পরে তদন্ত সাপেক্ষে তিন ক্রিকেটারকেই বহিস্কার করে এসএলসি। সে কারণে সিরিজের মাঝপথেই তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়।