ডিমলায় অবাধে আসছে লোকজন, নিয়ন্ত্রনহীন ঈদ মার্কেট

dimla

ডিমলা প্রতিনিধি (সরোয়ার জাহান সোহাগ): দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুতে প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন রেকর্ড। ডিমলা উপজেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ১৩ জন। পাশ্ববর্তী উপজেলা জলঢাকায় মোট আক্রান্ত ৮ জন ও মৃত্যু ১ জন, ডোমার উপজেলায় আক্রান্ত ৬ জন। এ নিয়ে তিন উপজেলায় করোনা আক্রান্তে ডিমলা উপজেলা এগিয়ে আছে।

তথ্য মতে, গত তিন সপ্তাহে ডিমলা থানা পুলিশের সহযোগীতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ১০ হাজারেরও অধিক কৃষি শ্রমিক প্রেরণ করা হয়েছে। শ্রমিকরা দেশের বিভিন্ন সংক্রমিত এলাকায় কাজ করছে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন পোশাক শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক সহ অনেকেই সংক্রমিত হয়ে ফিরছে নিজ নিজ এলাকায় বলে মনে করছেন স্থানীয় ও সচেতন মহল। প্রত্যহ সারারাত ডিমলা শহরের প্রধান সড়কে নিত্য নতুন মাইক্রো, পিকআপ, অটোইজি গাড়ী সহ ব্যাটারী চালিত ভ্যান গাড়ীতে অবাধে প্রবেশ করছে স্থানীয় ও বহিরাগত লোকজন।

ডিমলা সরকারী হাসপাতাল আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নিরঞ্জন কুমার রায় বলেন, ডিমলা উপজেলায় নমুনা পরীক্ষায় বাড়ছেই করোনা শনাক্তের হার যা পাশ্ববর্তী দুই উপজেলার চেয়ে সংখ্যায় প্রায় দ্বিগুন। ইতোমধ্যে ডিমলার হাট বাজারে ঈদ মুখো মানুষের প্রচন্ড ভিড় লক্ষ্য করেছি। যেখানে প্রায় ৯০% মানুষ স্বাস্থ্যবিধী মানছে না। আমরা সবাইকে শারিরীক দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধী মেনে চলতে অনুরোধ জানাচ্ছি।

করোনার ঝুঁকি এড়াতে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায় দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শপিং মল সীমিত পরিসরে খুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা যতক্ষণ মাঠে থাকছি, ততক্ষণ সবাই আইন মানছেন। চলে এলেই যে যার মতো খুশি এলোমেলো ভাবে চলছেন। তিনি সবাইকে শারিরীক দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধী মেনে চলতে আহবান জানিয়েছেন।

বিশিষ্টজনেরা মনে করছেন, যেভাবে আমরা দিন দিনন নিয়য়ন্ত্রহীন হয়ে পড়ছি, সামনে আমাদের জন্য খারাপ দিন অপেক্ষা করছে।