শিগগিরই ১০ লাখ হবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা: ডব্লিউএইচও

ছবিঃ সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে বুধবার পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৪৬ হাজার এবং আক্রান্ত ৯ লাখ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে কেবল ইউরোপেই সংখ্যাটা ৩০ হাজারের বেশি। চীন ও ইরানের পর করোনা ভাইরাস মূল আঘাতটি হানে ইতালিতে। তবে করোনা ভাইরাসের কেন্দ্র এখন ইতালি থেকে সরে ক্রমশ স্পেনের দিকে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রেও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। এক দিনে স্পেনে ৮৬৪ জন এবং ব্রিটেনে ৫৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১০ লাখ হয়ে যাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউওইচও) প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রোয়াসুস সবাইকে এ কথা বলে সতর্ক করেছেন। করোনাভাইরাস মোকাবিলার নীতিমালায় পরিবর্তন আনার আভাস দিয়েছেন তিনি।

গতকাল বুধবার জেনেভায় এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচওর প্রধান বলেন, ‘আমাদের কাছে এটা এখনো নতুন একটি ভাইরাস। এর বিষয়ে আমরা প্রতিনিয়ত শিখছি। যেহেতু অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে, নতুন তথ্য আসছে, এর ওপর ভিত্তি করে আমরা আমাদের পরামর্শও বদল ফেলব।’ এত দিন মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ না দিলেও এবার সংস্থাটির কাছ থেকে এমন পরামর্শ আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ৯ লাখ ৩২ হাজার ৬০৫ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৪৬ হাজার ৮০০ জন। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই আক্রান্ত এখন দুই লাখের বেশি মানুষ।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব আর কখনো এত বড় পরীক্ষার মুখে পড়েনি।

চীনের উহানে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর ভাইরাসটি স্পেন-ইতালিকে মৃত্যুকূপ বানিয়ে এখন যুক্তরাষ্ট্রে হানা দিয়েছে। এখনো পর্যন্ত এর কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার করা যায়নি। বারবার সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঘরে থাকা এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে সবচেয়ে কার্যকর বলে বলা হচ্ছে।