কিয়েভে রুশ হামলায় একজন নিহত

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রুশ হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি তাদের এক প্রতিবেদনে খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়।

এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেন, রাতের মধ্যে মস্কো বড় ধরণের আরেকটি হামলা চালাতে পারে।

বৃহস্পতিবার ভোরে কিয়েভ সিটি সামরিক প্রশাসন টেলিগ্রামে জানায়, ‘দুঃখজনকভাবে একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।’

এর আগে কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো বলেন, ‘শত্রুপক্ষ ব্যালিস্টিক অস্ত্র দিয়ে রাজধানীতে হামলা চালাচ্ছে। আরও হামলার আশঙ্কা এখনো রয়েছে। সবাই আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করুন।’

তিনি জানান, শহরের কয়েকটি জেলায় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।

এএফপির এক সাংবাদিক জানান, ইউক্রেনের রাজধানীতে বিমান হামলার সতর্কসংকেত বেজে ওঠে। এরপর কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

বুধবার রাতে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়া কয়েক দিন ধরেই বড় ধরণের হামলার প্রস্তুতি নিয়েছে। আজ রাতেই সেই হামলা চালানোর আশঙ্কা খুবই বেশি।’

তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের সব অঞ্চলের মানুষকে অনুরোধ করছি, আজ বিমান হামলার সতর্ক সংকেতের প্রতি সতর্ক থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন।’

জেলেনস্কি আবারও ইউক্রেনের মিত্র দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যাতে তারা কিয়েভকে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করে।

মঙ্গলবার তিনি হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে ইউক্রেনে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

জুলাইয়ের শুরুতে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনকে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য এ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি দেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তার। সে সময় রাশিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আরও জোরদার করেছিল।

এ ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম একমাত্র ব্যবস্থা হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তবে ইউক্রেনে পিএসি-৩ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের তীব্র সংকট রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে এ সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

Scroll to Top