মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা সদস্যের উপস্থিতি বাড়ানোর পাশাপাশি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর খবরে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরীকে লক্ষ্যবস্তু করতে তারা ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।
নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়ে সতর্কতার পর মধ্যপ্রাচ্যে আরও ৯,০০০ থেকে ১০,০০০ সদস্যের সেনাসহ আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সেনাবাহী ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ এবং এর স্ট্রাইক গ্রুপটি নভেম্বরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে।
ফার্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের উপকূল থেকে অনেক দূরে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরীগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার লক্ষ্যে তেহরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধের অভিজ্ঞতার পর তাদের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বা আওতা বাড়ানোর প্রয়োজন। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী এখন ইরানের উপকূল থেকে ১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে অবস্থান করছে।
ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, ‘কাসেম বসির’ ক্ষেপণাস্ত্রটি ১,২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে থাকা চলমান নৌ-লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহারের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিমানবাহী রণতরীগুলোকে অবরোধ রেখা থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছিল। ঠিক তার পরপরই এই নতুন উদ্যোগের বিষয়টি সামনে এল।
স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই ওমান উপসাগর বা আরব সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরী বা ডেস্ট্রয়ারের উপস্থিতি নেই।
সূত্র: আলজাজিরা, গাল্ফ নিউজ।






