নিউইয়র্কে প্রাণঘাতী করোনায় আরও ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার নিউইয়র্কের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল এবং স্বজনদের উদ্ধৃতি দিয়ে এ সংবাদদাতাকে ২ প্রবাসী (আলিয়া রাজ্জাক এবং আহমেদ কবীরউদ্দিন)’র মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ সোসাইটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার এবং সেক্রেটারি রুহুল আমিন সিদ্দিকী। অন্যদের তথ্য সিটি স্বাস্থ্য দফতরের উদ্ধৃতি দিয়ে স্বজনেরা জানিয়েছেন। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ১৬৬ বাংলাদেশির নিশ্চিত মৃত্যু সংবাদ পাওয়া গেল।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সিটির উডসাইডের বাসিন্দা এবং মাদারীপুর জেলার সন্তান আহমেদ কবীরউদ্দিন (৫৫) ২১ এপ্রিল মারা যান সাবওয়েতে।

অপরদিকে, টাঙ্গাইলের সন্তান আলিয়া রাজ্জাক (৬০) মারা গেছেন ম্যানহাটানের একটি হাসপাতালে। টাঙ্গাইলের সন্তান এবং কুইন্সের রিচমন্ডহীল এলাকায় বসবাসরত সফি হায়দার খান (৫৪) কুইন্সের একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল তার ছোট ভাই সাইফুল হায়দার খান (৪৭) ও করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে এ সংবাদদাতাকে জানান যুক্তরাষ্ট্রস্থ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের নেতা তাজুল ইসলাম। গাজীপুরের সন্তান এবং লং আইল্যান্ডের অধিবাসী মোহাম্মদ ইসলাম বাবুল (৫৮) করোনার সাথে দীর্ঘ যুদ্ধের পর ২১ এপ্রিল নিজেকে সমর্পিত করেছেন।

ব্রুকলীনের বাসিন্দা এবং নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের রামপুরের সন্তান সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজ সারেং (৭০) মায়মনিডেস হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন।

বিয়ানিবাজারের আঙ্গারজুরের সন্তান এবং জ্যামাইকায় বসবাসরত প্রবীণ সমাজকর্মী আব্দুস সালাম খান (৭৫) লং আইল্যান্ডের নর্থশোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। কুমউনিটি লিডার ফখরুল ইসলাম দেলোয়ারের শশুর এবং আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক রীজু মোহাম্মদের ফুপার শশুর সালাম খানের মৃত্যুতে কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিকে, মঙ্গলবার নিউইয়র্ক স্টেটে আরো ৪৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের দিনের চেয়ে তা ৩ জন বেশি হলেও হাসপাতালে ভর্তি এবং আইসিইউতে কমেছে রোগীর সংখ্যা। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে মারা গেছে মোট ৪৫২৯৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে আরোগ্য লাভ করেছেন ৭৫ হাজার ৫০ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৯৮।

Scroll to Top