করোনা: জুনিয়র ও টেকনিশিয়ান আর্টিস্টদের আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন রজনীকান্ত

ছবিঃ সংগৃহীত

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস আতঙ্কে বলিউডসহ ভারতের সব ধরনের সিনেমাগুলোর শুটিং বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে অভিনয়শিল্পীদের সাময়িক অসুবিধা হলেও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন টেকনিশিয়ান ও নিম্ন আয়ের সাধারণ শ্রমিকরা।

মহামারী কভিড-১৯ করোনাভাইরাসের কারণে তৈরি সঙ্কটে টেকনিশিয়ান ও জুনিয়র আর্টিস্টদের অনেকেই আর্থিক সমস্যায় ভুগবেন। তাদের সাহায্যে এবার এগিয়ে এলেন রজনীকান্ত। এই পরিস্থিতিতে ফিল্ম এমপ্লয়িস ফেডারেশন অফ সাউথ ইন্ডিয়াকে ৫০ লাখ রুপি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন।

দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রায় ৭০ শতাংশ কর্মী দৈনিক মজুরি পান। শুটিং বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন তারা। অনেক ছোটখাট টেকনিশিয়ানদের দিন গুজরান করাই এখন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুটিং শুরু না হলে তাদের আয় হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।

এদিকে করোনার জেরে শুটিং কবে শুরু হবে, তারও কোনও নিশ্চয়তা নেই। তাই টেকনিশিয়ানদের আর্থিক সমস্যা থেকে অব্যাহতি দিতে ৫০ লাখ রুপি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন রজনীকান্ত। অবশ্য শুধু রজনীকান্তই নন, শিবকুমার এবং তাঁর দুই ছেলে সূর্য ও কার্তিও ঘোষণা করেছেন FEFSI’র কর্মীদের তাঁরা ১০ লক্ষ টাকা দেবেন।

শিবাকার্তিকেয়ন ও বিজয় সেতুপতি, দু’জনেই ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। পরিচালক আর কে সেলভামি এনিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন। সেখানে জানানো হয়েছে, লাইটম্যান বা অন্য টেকনিশিয়ানদের অন্তত ১৫-২০ দিন কাজ থাকবে না। তাঁরা জানিয়েছেন, যদি এই ক’দিনের টাকা তাঁরা না পান, তাহলে তাঁদের সন্তানরা খেতে পাবে না। সেই কথা ভেবেই একটি ফান্ড তৈরি করা হয়েছে। সেখান থেকেই টেকনিশিয়ানদের আর্থিক সাহায্য করা হবে। FEFSI-তে মোট ২৫ হাজার সদস্য রয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকেই এই সুবিধা পাবেন বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে যদি প্রতিটি পরিবার অন্তত ভাতটুকু পায়, তাহলে তাঁদের নিত্যদিনের খাদ্যের চাহিদাটুকু মিটবে।