নতুন বছরে বেশ সারা ফেলছে অপূর্ব-মেহজাবীনের ‘ক্যান্ডি ক্রাশ’

ইন্টারনেট সংগৃহীত ছবি

হতাশার একটা বছর ছিল ২০২০। অবশেষে সেই বাধা পেরিয়ে আলোর মুখ দেখলো মহিদুল মহিমের নাটক ‘ক্যান্ডি ক্রাশ’। সিএমভি প্রযোজিত এই নাটকটির দৌলতে নতুন বছরে এসে নেটিজেনদের কাছ থেকে তুমুল প্রশংসা কুড়াচ্ছেন অপূর্ব-মেহজাবীন জুটি।

নাটকটি দেখে দেশ নয়, বিদেশের দর্শকরাও মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন। যেখানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে দিল্লীর জনগণও, ভারতীয় দর্শকদের বেশিরভাগই মন্তব্য করছেন এই বলে, ‘এই নাটকটি দেখে মনে হচ্ছে ভারতীয় নাটকের চেয়েও কয়েক ধাপ এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।’ তাছাড়া
অপূর্ব-মেহজাবীন জুটির অসংখ্য ভক্তের উচ্ছ্বাস তো রয়েছে।

গেল ৩ জানুয়ারি সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে উন্মুক্ত হয় মহিদুল মহিমের রচনা ও পরিচালনায় নাটক ‘ক্যান্ডি ক্রাশ’। গত ৫ দিনে এটি দেখা হয়েছে ২৯ লাখ ৫০ হাজার বারেরও বেশি। আর কমেন্ট পড়েছে প্রায় ৮ হাজার। আর যার বেশিরভাগই পজিটিভ মন্তব্য। বছরের শুরুতেই এমন সফলতা প্রসঙ্গে অপূর্ব বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, বছরটা খুব ভালো একটি কাজ দিয়ে শুরু হয়েছে। নাটকটি থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। দর্শকরা নাটকটি খুবই পছন্দ করেছেন এবং ব্যক্তিগতভাবে এই নাটকটি আমারও খুব পছন্দের। নির্মাতা মহিদুল মহিম, আমার কো-আর্টিস্ট মেহজাবীন দারুণ সমর্থন দিয়েছেন এতে। সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। নাটকটি না দেখলে দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

এছাড়া নির্মাতা মহিম মনে করেন, কোনও ভালো কাজ এককভাবে সম্ভব নয়। এই নাটকটিও যৌথ প্রচেষ্টার ফসল। তার ভাষ্যে, নাটকটি নিয়ে দর্শকদের কাছ থেকে প্রচুর সাড়া পাচ্ছি। কাজটি অনেক যত্ন নিয়ে করার চেষ্টা করেছি আমরা। সবাই নাটকটি পছন্দ করায় কষ্ট সার্থক হয়েছে। আর অপূর্ব ভাইয়া ও মেহজাবীন আপুর দুর্দান্ত অভিনয় নাটকটিকে পূর্ণতা দিয়েছে বলে আমি মনে করি।

নাটকটির সফলতা প্রসঙ্গে একটু বিস্তারিত ভাবেই বললেন মেহজাবীন। তিনি বলেন, আমাদের পুরো টিমের ইচ্ছা ছিলো, নাটকটি যেন বছরের শুরুতেই সম্প্রচার হয়। কারণ ভারাক্রান্ত একটা বছর পেরিয়ে আমরা নতুন বছরটা শুরু করতে চেয়েছি হাসি-আনন্দ আর মজা দিয়ে। আমরা চেয়েছি, নাটকটি দেখে দর্শক একটু হাসবে, একটু এনজয় করবে। সেই চিন্তা থেকেই কাজটি করা। এবং এখন যখন দেখি আমাদের পরিকল্পনাটি কাজে লেগেছে, তখন মনটা ভালো হয়ে যায়।

মেহজাবীন নাটকের চিত্রনাট্যের প্রশংসা করে বলেন, চিত্রনাট্যের ক্ষেত্রে আমি বলবো মহিম ভাইয়ার প্লাস পয়েন্ট হচ্ছে তার সংলাপ লেখার গুণ। সে যখন লেখেন, একটার সাথে একটার এতো সুন্দর ম্যাচিং হয়, একটা ছন্দ থাকে তার লেখার মধ্যে। দর্শক একটার পর একটা লাইন শোনেন, আর মুগ্ধ হন। এমন চিত্রনাট্যে অভিনয় করলেও মজা লাগে। তো এই কাজটি করার সময় যেমন রেসপন্স আশা করেছিলাম, প্রচারের পর ঠিক তেমনই সাড়া পাচ্ছি। আশাকরি নাটকটি যারা এখানো দেখেনি, তারা দেখে নেবেন। দেখলে নিশ্চিত আনন্দ পাবেন।