একাল-সেকালের অসংখ্য সুখী জুটি যারা বিচ্ছেদের ধারে কাছেও নেই

দিন যায় দিন আসে। এরই মাঝে কোনো না কোনো তারকার বিচ্ছেদের খবর পাওয়া যায়। বিনোদন জগতের চারদিকে এখন শুধু ভাঙনের সুর। আজ বিয়ে তো কাল ডিভোর্স-অনেকটা এভাবেই চলছে বর্তমান তারকা দম্পতিদের সংসার। তার মধ্যে তারকা দম্পতি তাহসান-মিথিলার বিচ্ছেদ বছরের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনার একটি। এরপর অভিনয়শিল্পী বাঁধন, কণ্ঠশিল্পী মিলা আর সর্বশেষ নোভার বিচ্ছেদের খবর আসে।

অথচ এমন অনেক তারকা জুটি আছেন যারা অনেক বছর আগে বিয়ে করে এখনও সুখে ঘর সংসার করছেন। পাশাপাশি সামলে যাচ্ছেন যার যার পেশাগত দায়িত্বও। চলুন তবে জেনে নেই তাদের মধ্যে অন্যতম কয়েকজন তারকা দম্পতিদের সম্পর্কে।

\"\"
ওমর সানী-মৌসুমী: 
দুজনেই রূপালী পর্দার মানুষ। এক সঙ্গে জুটি বেধে অভিনয়ও করেছেন বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ছবিতে। দুজনেই অভিনয়ে আসেন ৯০ এর দশকে। তখনকার সময়ে সালমান শাহ-শাবনূর এবং মৌসুমী-ওমর সানী জুটির ছবি মুক্তি পেলে সমর্থক গোষ্ঠীর মাঝে যুদ্ধের দামামা বেজে যেত। ১৯৯৪ সালে ‘দোলা’ ছবিতে অভিনয় করার সময় এ জুটির মধ্যে সখ্যতা গড়ে ওঠে। সেখান থেকে প্রেম। ১৯৯৫ সালে সে প্রেম গড়ায় পরিণয়ে। এ বছর তাঁদের বিয়ের ২২ বছর পূর্ণ হয়েছে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সুখে সংসার করছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এ তারকা জুটি। ছেলে ফারদিন ও মেয়ে ফাইজাকে নিয়ে তাঁদের সুখের সংসার। আজও দর্শকের কাছে তুমুল জনপ্রিয় এই জুটি।
\"\"
নাঈম-শাবনাজ: ১৯৯১ সালে প্রয়াত চলচ্চিত্র নির্মাতা এহতেশামের ‘চাঁদনী’ ছবির মাধ্যমে নাঈম-শাবনাজ জুটির অভিষেক হয়। কয়েক বছরের অভিনয় জীবনে ২০টি ছবিতে কাজ করেছেন তাঁরা। নাঈম-শাবনাজ অভিনীত অধিকাংশ ছবিই ছিল ব্যবসাসফল। একসঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করতে গিয়েই তাঁদের ঘনিষ্ঠতা। ১৯৯৪ সালের ৫ অক্টোবর তাঁরা বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। বিয়ের পর চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে যান তাঁরা। এখনো বিনোদন জগতের সফল জুটির কথা বললে তাঁদের নাম প্রথম দিকেই আসে। দাম্পত্য জীবনে সুখী এই জুটির এখন সময় কাটে দুই মেয়ে, সংসার আর ব্যবসা নিয়ে।
\"\"
তৌকির-বিপাশা: অভিনয় জগতের আরেক অন্যতম সুখী দম্পতি তৌকির আহমেদ ও বিপাশা হায়াত। দুজনেই নাট্যজগতের বাসিন্দা। একসঙ্গে বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছেন তারা। তবে বর্তমানে স্বামী তৌকির আহমেদ চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। ইতিমধ্যে তিনি ‘রূপকথার গল্প’, ‘জয়যাত্রা’, ‘দারুচিনি দ্বীপ’, ‘অজ্ঞাতনামা’ ও ‘হালদা’র মত জনপ্রিয় পাঁচটি চলচ্চিত্র নির্মাণও করে ফেলেছেন। কয়েকটি ছবিতে তিনি অভিনয়ও করেছেন। অন্যদিতে স্ত্রী বিপাশা হায়াত নাট্যজগতের মানুষ হলেও দেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমনি’ ছবিতে অভিনয় দিয়ে সকলের নজর কাড়েন। ১৯৯৯ সালে জনপ্রিয় অভিনেতা আবুল হায়াত কন্যা অভিনেত্রী বিপাশা হায়াতের সঙ্গে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় তৌকির আহমেদের। অভিনয় জগতের জুটি, জুটি বাধেন জীবন সংসারেও। পারিবারিক জীবনে মেয়ে আরিশা আহমেদ ও ছেলে আরীব আহমেদকে নিয়ে গত ১৮ বছর ধরে সুখে সংসার করছেন এ জুটি।
\"\"
জাহিদ হাসান-মৌ: বাংলা নাট্য জগতের অতি সুপরিচিত মুখ অভিনেতা জাহিদ হাসান। যার বৈচিত্রময় অভিনয় গুণে মুগ্ধ হননি এমন দর্শক খুব কমই আছেন। অভিনয় করেছেন সাতটি বাংলা ছবিতেও। অন্যদিকে স্ত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ নাট্যজগতে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে না পারলেও মডেলিং ও নৃত্যশিল্পী হিসেবে দেশব্যাপী তিনিও সুপরিচিত। এ তারকা জুটিরও শোবিজ জগতে আগমন ৯০ এর দশকে। জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র অনুষ্ঠানে গিয়ে পরিচয় হয় জাহিদ হাসান ও মৌ-য়ের। সেই পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, তারপর বিয়ে। ১৯৯৫ সালে বিয়ে করেন এ তারকা জুটি। দীর্ঘ ২২ বছর পর এখনও তারা বিনোদন জগতের অন্যতম সেরা সুখী দম্পতি হিসেবে পরিচিত।
\"\"
রিয়াজ-তিনা: বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক রিয়াজ। বিমান চালক থেকে চাচাতো বোন ববিতার হাত ধরে চলচ্চিত্র জগতে পা রেখে প্রথম ছবি ‘বাংলার নায়ক’ দিয়েই যিনি সকলের নজর কাড়েন। সেই থেকে ছবি ও নাটক দুই জায়গাতেই দুর্দান্ত প্রতাপের সাথে অভিনয় করছেন সিনেজগতের অন্যতম সফল এ অভিনেতা। রিয়াজের সঙ্গে শাবনূর ও পূর্ণিমার জুটি খুবই জনপ্রিয়। ২০০৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর ২০০৪-এর বিনোদন বিচিত্রার ফটো সুন্দরী বিজয়ী মডেল মুশফিকা তিনার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ের পর রিয়াজ অভিনয়ে নিয়মিত থাকলেও তাঁর স্ত্রীকে আর মডেলিংয়ে দেখা যায়নি। আট বছর পর ২০১৫ সালে কন্যা সন্তানের বাবা হন রিয়াজ। ১০ বছরের বৈবাহিক জীবনে কোনো প্রকার সমালোচনা ছাড়াই সুখে সংসার করছেন এ তারকা দম্পতি।
\"\"
আলমগীর-রুনা লায়লা: দুই জগতের দুই কিংবদন্তী নায়ক আলমগীর ও সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। সত্তর, আশি ও নব্বইয়ের দশকের সাড়া জাগানো অভিনেতা আলমগীর এখনও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন মাঝেমধ্যে। সম্প্রতি তিনি ছবি নির্মাণের কাজেও হাত দিয়েছেন। অন্যদিকে সত্তরের দশক থেকে মিষ্টি সুরের জাদুতে সব শ্রেণির মানুষকে বিমোহিত করে রেখেছেন কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা। সেই হিসেবে তাদেরকে কিংবদন্তী দম্পতি বললেও ভুল হবে না। ১৯৭৩ সালে গীতিকার খোশনুর আলমগীরকে প্রথমে বিয়ে করেন আলমগীর। সে ঘরে জন্ম হয় একমাত্র কন্যা আঁখি আলমগীরের। যিনিও বর্তমানে বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। খোশনুরের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর ১৯৯৯ সালে রুনা লায়লাকে বিয়ে করেন আলমগীর। গত ১৮ বছর ধরে দুই মেয়ে নিয়ে সুখেই সংসার করছেন কিংবদন্তী এ তারকা দম্পতি।
\"\"
সৈয়দ হাসান ইমাম-লায়লা হাসান: সৈয়দ হাসান ইমাম ও লায়লা হাসান ১৯৬৫ সালের ৩০ জুন ভালোবেসে বিয়ে করেন। তাঁদেরকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জগতের পুরোধা ব্যক্তিত্ব বলা যায়। বাংলাদেশের সফল ও আদর্শ দম্পতিদের তালিকায় তাঁদের নাম প্রথম দিকেই থাকবে। এক ছেলে ও দুই মেয়ের সফল পিতা-মাতা সদা হাসিখুশি এই তারকা দম্পতি ইতিমধ্যে বিবাহিত জীবনের হাফ সেঞ্চুরি পার করেছেন।
\"\"
রামেন্দু মজুমদার-ফেরদৌসী মজুমদার: বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনের দুটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম রামেন্দু মজুমদার ও ফেরদৌসী মজুমদার। ১৯৬১ সালে একই সঙ্গে দুজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ফেরদৌসী বাংলায়, রামেন্দু ইংরেজিতে। সাবসিডিয়ারি ছিল সমাজবিজ্ঞান। সেখানেই তাঁদের দেখা-সাক্ষাৎ হতো। কিন্তু তৎকালীন সময়ে ধর্মের বেড়াজাল পেরিয়ে একে অন্যের গলায় মালা পরানো সহজ ছিল না। শত বাধা ডিঙিয়ে ১৯৭০ সালে তাঁরা বিয়ে করেন। প্রায় চার যুগ পেরিয়ে এখনো দুজন সুখে-দুঃখে পরস্পরের পাশে আছেন।
\"\"
রফিকুল আলম-আবিদা সুলতানা: রফিকুল আলম ও আবিদা সুলতানার প্রথম দেখা হয় বাংলাদেশ বেতারে। তৎকালীন ঢাকা স্টেডিয়ামে একটি সংগীত সম্মেলনে তাঁদের পরিচয় করিয়ে দেন শিল্পী লাকী আখান্দ্‌। গানের জগতে একসঙ্গে পথ চলতে চলতেই তাঁরা একে অন্যের কাছাকাছি আসেন। ১৯৭৪ সালে তাঁদের প্রেমের সূচনা, ১৯৭৫ সালে তাঁরা বিয়ে করেন। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে একই ছাদের নিচে বাস করে দেশের সংগীত পিপাসুদের গান শুনিয়ে মুগ্ধ করে যাচ্ছেন।
\"\"
আলী যাকের-সারা যাকের: চার দশকের দাম্পত্য জীবন তাঁদের। নাটকের দল নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়ের মাধ্যমে দুজনের পরিচয়। নাগরিকের প্রতিষ্ঠা-পরবর্তী সময় থেকেই আলী যাকের জড়িত। ১৯৭৩ সালে যোগ দেন সারা যাকের। একসঙ্গে থিয়েটার করার সূত্র ধরেই আলী যাকের আর সারা যাকেরের কাছে আসা। মনের অজান্তে দিনে দিনে বন্ধুত্ব থেকে একসঙ্গে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেন। ১৯৭৭ সালে সুখের নীড় রচনা করে এখনো স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করছেন তাঁরা। তাঁদের দুই সন্তান ইরেশ যাকের ও শ্রিয়া সর্বজয়া। তাঁরাও নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফলতার সঙ্গে পথ চলছেন।
\"\"
রহমত আলী-ওয়াহিদা মল্লিক জলি: নাট্যাঙ্গনের প্রিয় তারকা দম্পতি রহমত আলী ও ওয়াহিদা মল্লিক জলি। তাঁদের দুজনের বাড়ি রাজশাহীতে। তবে দুজনের পরিচয় এবং কাছাকাছি আসা মূলত ভারতের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে। ১৯৮৯ সালে দেশে এসে জলি শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে। রহমত আলী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তবে পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে আসেন। টানা ছয় বছর প্রেম করার পর ১৯৯০ সালে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন তাঁরা। রজত আর সহন নামের দুই পুত্রসন্তান তাঁদের। ইতিমধ্যে বিবাহিত জীবনের রজতজয়ন্তী পূর্ণ করেছেন তাঁরা।
\"\"
কনকচাঁপা-মইনুল ইসলাম খান: কনকচাঁপার কিশোর বয়স থেকেই মইনুল ইসলাম খানের সঙ্গে পরিচয়। বিটিভির ‘নতুন কুঁড়ি’র শিল্পী ছিলেন কনকচাঁপা। সেখানেই দুজনের দেখা-সাক্ষাৎ হতো। কনকচাঁপার প্রথম গাওয়া গানের সুরকার ছিলেন সুরকার ও সংগীত পরিচালক মইনুল ইসলাম খান। প্রথম গাওয়া গানের সুরের প্রেমে পড়েছিলেন কনকচাঁপা। একসময় সুর থেকে সুরকারের প্রতি ভালো লাগা অনুভব করেন। পরবর্তী সময়ে পারিবারিকভাবে তাঁদের দুজনের বিয়ে হয়। প্রায় তিন দশক একসঙ্গে পার করে দিয়েছেন এই তারকা দম্পতি।
\"\"
আজিজুল হাকিম-জিনাত হাকিম: নাট্যজগতের পরিচিত জুটি আজিজুল হাকিম ও জিনাত হাকিম। গত শতকের নব্বইয়ের দশকের শুরুতে আজিজুল হাকিম তখন জনপ্রিয় নাট্যাভিনেতা। নাটকের মহড়া করতে যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে। মহড়ার ফাঁকে ফাঁকে তাঁকে প্রায়ই দেখা যেত রোকেয়া হলের গেটে। একসময় জানা যায়, এই হলেই থাকতেন তাঁর জীবনসঙ্গী জিনাত। এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে এখন তাঁদের সুখের সংসার। ভালোবেসে তাঁরাও কাটিয়ে দিলেন প্রায় দুই দশক।
\"\"
শহীদুজ্জামান সেলিম-রোজী সিদ্দিকী: ১৯৯৩ সালের বিজয় দিবসে রোজী-সেলিম দম্পতির যুগল জীবনের শুরু। বিয়ের বছর থেকেই রোজী সিদ্দিকী ‘ঢাকা থিয়েটার’-এ কাজ শুরু করেন। তারও এক দশক আগে থেকেই শহীদুজ্জামান সেলিম এই নাট্যদলের কর্মী ছিলেন। গুনে গুনে একসঙ্গে দুই যুগ পার করে দিলেন রোজী-সেলিম দম্পতি। দুই মেয়েকে নিয়ে সুখে-দুঃখে একসঙ্গে অনেক দূর পেরোলেন মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের এই তারকা দম্পতি।
\"\"
মোশাররফ করিম-রোবেনা রেজা জুঁই: গত দশকের শুরুর দিকে সেগুনবাগিচায় একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করতেন মোশাররফ করিম। তখন তিনি এতটা জনপ্রিয় ছিলেন না। একই কোচিংয়ে পড়তেন জুঁই। তখন থেকেই জুঁইকে পছন্দ করতেন, কিন্তু বলতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে জুঁইও সেই কোচিংয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। মোশাররফ করিম তাঁর মনের কথা জুঁইকে বলেন। প্রথম দিকে জুঁই মোশাররফ করিমের সেই ভালোবাসার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেও কয়েক দিন পর জুঁইয়ের মুখ থেকে ‘হ্যাঁ’সূচক সম্মতি বের হয়। বরিশালের সন্তান মোশাররফকে শুরুতে জুঁইয়ের পরিবার মেনে নিতে পারেননি। অবশেষে মোশাররফ-জুঁই চার বছর প্রেমের পর ২০০৪ সালে বিয়ে করেন। একমাত্র সন্তান রোবেন রায়ান করিমকে নিয়ে এখন তাঁদের সুখের সংসার। দাম্পত্য জীবনের এক যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে এসেছেন জনপ্রিয় এই জুটি।
\"\"
ফারুকী-তিশা: নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী মজার ছলে অভিনয় তারকা তিশাকে বলতেন, ‘তোমার বড় বোন থাকলে তাঁকে বিয়ে করতাম।’ তিশা বুঝতে পেরেছিলেন ফারুকীর মনের কথা। তবুও ফারকীর কথার উত্তরে বলতেন, ‘আমার বড় বোন থাকলে সত্যি সত্যিই আপনার সঙ্গে বিয়ে দিতাম।’ তবে এই লুকোচুরি বেশি দিন থাকেনি। ফারুকী সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিশাকে। কিন্তু বিয়েটা হবে হচ্ছে করেও বছরের পর বছর আটকে ছিল। অবশেষে ২০১০ সালের ১৬ জুলাই ফারুকী ও তিশা ঘটা করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। জনপ্রিয় এই তারকা জুটি আদর্শ দম্পতি হিসেবে একসঙ্গে কাটিয়ে দিয়েছেন অর্ধযুগ।

Scroll to Top