১৯৮৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করেছিল উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ ইরাক। এমন গৌরব মুহূর্তে দেশের হয়ে বিশ্বকাপে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস দিয়েছেন প্রধান কোচ গ্রাহাম আর্নল্ড।
চলতি বছরের এপ্রিলে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে বলিভিয়াকে পরাজিত করে ইরাক বিশ্বকাপের মূল আসরে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। তারা নরওয়ে, ফ্রান্স এবং সেনেগালের সঙ্গে গ্রুপ ‘আই’-তে স্থান পাওয়ায় আর্নল্ড এই গ্রুপটিকে ‘বিশ্বকাপের সবচেয়ে কঠিন গ্রুপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আর্নল্ড জোর দিয়ে বলেছেন, বহু প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপে প্রত্যাবর্তনে জাতিকে গর্বিত করার লক্ষ্যে ইরাকের ঐক্য এবং দলীয় চেতনাই হবে মূল চাবিকাঠি। তিনি বলেন, আমরা একটি পরিবারের মতো একসঙ্গে কাজ করি এবং আমরা এই বিশ্বাস নিয়ে বিশ্বকাপে যাচ্ছি যে আমরা ইরাককে গর্বিত করতে পারব।
আগামী ১৬ জুন নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইরাক তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। এরপর ২২ জুন ২০২২ সালের রানার্স-আপ ফ্রান্স এবং চারদিন পর সেনেগালের মুখোমুখি হবে তারা।
আর্নল্ড আরও বলেন, ইরাক নরওয়ের বিপক্ষে তাদের উদ্বোধনী ম্যাচের ওপর পুরোপুরি মনোনিবেশ করেছে এবং তিনি আশা করেন, তার খেলোয়াড়রা নরওয়ে এবং বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স উভয়ের বিপক্ষেই তাদের চিরাচরিত লড়াকু মনোভাব প্রদর্শন করবে।
আর্নল্ড বলেন, নরওয়েই আমাদের প্রথম লক্ষ্য এবং আমরা সেই ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। এরপর আমরা বিশ্বের সেরা দল ফ্রান্সের মুখোমুখি হব—এটি একটি দারুণ অভিজ্ঞতা হবে। ছেলেদের কাছ থেকে আমি যা আশা করি তারা সেই ইরাকি লড়াকু মানসিকতা বজায় রাখবে।
বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৫৭তম স্থানে থাকা ২০০৭ সালের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নরা ২৯শে মে জিরোনায় অ্যান্ডোরার বিপক্ষে এবং ৪ঠা জুন স্পেনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলার মাধ্যমে তাদের প্রস্তুতি চালিয়ে যাবে।
বিডি প্রতিদিন/আরকে







