রাষ্ট্রদ্রোহসহ খালেদা জিয়ার আরও চার মামলা স্থগিত থাকবে

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের হরতালের সময় নাশকতার অভিযোগে রাজধানীর দারুস সালাম থানায় করা তিন মামলা এবং রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে করা মামলার কার্যক্রমের ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদেন নিষ্পত্তি করে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন ভার্চ্যুয়াল আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ভার্চ্যুয়ালি শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজ উদ্দিন ফকির। খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

এর আগে গত ১৭ আগস্ট ও ২৩ আগস্ট চারটি করে মোট আট মামলার বিষয়ে একই আদেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।

২০১৫ সালে করা নাশকতা ও সহিংসতার অভিযোগে দারুস সালাম থানায় করা তিনটি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে ওই আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়া।

একই বছর হাইকোর্ট মামলাগুলোর কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল জারি করেন।

হাইকোর্টের ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

এদিকে ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে’ খালেদা জিয়া ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত’ মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ এনে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। ওই মামলার বৈধতা নিয়ে আবেদনের পর ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ নিয়ে রুল জারি করেন।

এর বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।